সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ভোট বন্ধ, মহামান্য হাইকোর্ট রিট পিটিশন দাখিল

4

যথাযথ যাঁচাই বাছাই না করে কয়েকজন প্রকৃত সাংবাদিককে তালিকার বাইরে রেখে ভোটার তালিক প্রস্তত করে নির্বাচন করা হচ্ছে এমন অভিযোগে মহামান্য হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করা হয়েছে। সাতক্ষীরায় কর্মরত এমন ২৫ জন সাংবাদিকের পক্ষ থেকে মোঃ শাহ আলমের দায়েরকৃত রিট পিটিশন সংক্রান্ত আইনজীবীর চিঠি বৃহষ্পতিবার বিকল তিনটায় জেলা নির্বাচন কমিশনার, সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি , জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থাসহ বিভিন্ন দপ্তরে পৌঁছেছে।ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক গণকণ্ঠ পত্রিকার সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি মোঃ শাহ আলন বলেন, আদালতের নির্দেশে পুলিশ সুপারের নেতত্বাধীন প্রেসক্লাবের সদস্য যাঁচাই বাছাই ও ভোটার তালিকা প্রস্তুত সংক্রান্ত সাত সদস্যের কমিটি আবেদনের ভিত্তিতে গত ৭ ফেব্রুয়ারি ১০৯ জন সাংবাদিকদের খসড়া তালিকা প্রস্তুত করে। এতে তারসহ ২৫ জনের থাকা নামে ২২ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চুড়ান্ত তালিকায় রাখা হয়নি। এমনকি আবেদন না করেও আবেদন সাপেক্ষে খসড়া তালিকায় নাম না থাকায় কমিটির একজন বিশেষ সদস্যের নিজের পছন্দের লোকজনকে অন্তর্ভুক্ত করে চুড়ান্ত তালিকার মাধ্যমে ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। এটা আদালতের নির্দেশ পরিপন্হি হওয়ায় খসড়া তালিকা থেকে বাদ যাওয়া ৬ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাচন বন্ধ করার জন্য ২৫ জন সাংবাদিকের পক্ষ থেকে তিনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মহামান্য হাইকোর্টের বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মোঃ খায়রুল আলমের আদালতে ২৮৩৬ নং রিট পিটিশন দাখিল করেছেন। যে কোন সময় এর শুনানী হতে পারে। রিট পিটিশনের বিষয়টি অবগত করার জন্য রেজিষ্ট্রি ডাকযোগে ও ক্যুরিয়র সার্ভিসের মাধ্যমে পৃথকভাবে বৃহষ্পতিবার বিকল তিনটায় জেলা নির্বাচন কমিশনার, সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি , জাতীয় নিরাপত্তা গায়দা সংস্াসহ বিভিন্ন দপ্তর পোঁছে দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্র উচ্চ আদালতের প্রতি সন্মান রেখে প্রেসক্লাব নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা শুনানী না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন স্থগিত রাখবেন বলে তিনি আশাবাদি।জানতে চাইলে প্রেসক্লাবের নতুন ভোটার তালিকার ৯৮ নম্বর নাম থাকা মোঃ শহীদুল ইসলাম বলেন, যথাযথভাবে যাঁচাই বাছাই করা হলে সাবেক ৭৫ জনের তালিকায় থাকা অনেক নাম বাদ যতো। আবার পরবর্তী ২৯ জনের নামের মধ্যে থেকে অনেকেই বাদ যতো। সংযোজিত হতো শাহ আলমসহ বেশ কয়েকজন পেশাদার সাংবাদিকের নাম। সেক্ষেত্র হাইকোর্ট রিটি পিটিশন হলে সংশি­ষ্টদের শুনানী পর্যন্ত অপেক্ষা করতে আপত্তি থাকার কথা নয়।ভোটার তালিকা যাঁচাই বাছাই কমিটির সদস্য সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ বলেন, তিনি শাহ আলমের রিট সংক্রান্ত আইনজীবীর চিঠি বৃহষ্পতিবার বিকল তিনটায় পেয়েছেন। এ সংক্রান্ত ব্যাপারে কি করা যেতে পারে তা নিয়ে সংশি­ষ্টদের সাথে কথা বলবেন।সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল কবীর জানান, এতে নির্বাচন বন্ধ রাখা সংক্রান্ত কোন কথা বা আদেশ নেই। বিষয়টি সভাপতি মহোদয়ও পেয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে সভাপতি মহোদয় কি বলেন তা পরে জানানো হবে।জানতে চাইলে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে মোবাইল যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।