নিউজিল্যান্ডে ভূমিকম্প: নিরাপদে ক্রিকেটাররা

4

ক্রীয়া ডেস্ক: নিউজিল্যান্ডে ৮.১ মাত্রা সহ পরপর তিনটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। তবে, দেশটিতে সফররত বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়রা নিরাপদে রয়েছেন।
শুক্রবার (৫ মার্চ) বিসিবির পরিচালক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস জানিয়েছেন, সবাই ভালো আছেন। কারো কোন সমস্যা হয়নি। গভীর রাতে ভূমিকম্পের সময় দলের সবাই ঘুমে ছিল। ভূমিকম্প যে হয়েছে, সেটাই কেউ টের পায়নি।শুক্রবার তিনটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে দেশটিতে। ভূমিকম্পের প্রতিটিই ছিল সাত মাত্রার ওপরে। ভূমিকম্পের পর জারি করা সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে পূর্ব উপকূলে এখনো জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা রয়েছে।শুক্রবার ভোরে প্রথমে গিসবার্ন থেকে ১৮০ কিলোমিটার দূরে ৭ দশমিক ২ মাত্রার প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এরপর কারমাডেক আইল্যান্ডে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে নিউজিল্যান্ডের উপকূলীয় এলাকা। এছাড়া আগে-পরে নিউজিল্যান্ড উপকূলে অনুভূত হয় ৫ থেকে ৬ মাত্রার আরও অন্তত ৩৯টি কম্পন। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সবশেষ জনবসতিহীন কারমেডিক আইল্যান্ডে ৮ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।ভূমিকম্পের উপত্তিস্থল থেকে সুনামি হতে পারে এমন শঙ্কা প্রকাশ করে এক বিবৃতিতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় সুনামি সতর্ক কেন্দ্র জানায়, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে ৩০০ কিলোমিটার পর্যন্ত সুনামি হতে পারে। তাই ওই উপকূলীয় এলাকায় সবাইকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।মাত্র গত সপ্তাহে ক্রাইস্টচার্চের ভয়াবহ ভূমিকম্পের এক দশক পার করলো নিউজিল্যান্ড। এর আগে ২০১১ সালে ক্রাইস্টচার্চ শহরে ৬.৩ মাত্রার এক ভূমিকম্পের আঘাতে ১৮৫ জনের প্রাণহানি ঘটে। ধ্বংস হয় বহু ঘরবাড়ি।তিন ম্যাচের ওয়ানডে এবং তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এখন ক্রাইস্টচার্চে অবস্থার করছে। সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ হবে আগামী ২০ মার্চ। নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশ দলের সর্বশেষ সফরও সুখকর ছিলো না। ২০১৯ সালের শুরুতে ক্রাইস্টচার্চে এক মসজিদে এক বন্দুকধারী এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে ৫০ জন মুসল্লিকে হত্যা করে। বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররাও সে মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে যাচ্ছিলেন। ক্রিকেটাররা মসজিদে যাওয়ার কিছুক্ষণ আগে এ ঘটনা ঘটে। এর পরপরই বাংলাদেশ দল সিরিজের শেষ টেস্ট না খেলে দেশে ফিরে আসে।