বাংলাদেশের উন্নয়নে চীনের উচ্ছ্বাস

3

আন্তর্জাতিক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দারুণ সাফল্য অর্জন করেছে। বাংলাদেশ পুনর্গঠন ও উন্নয়নের দিকে মনোযোগী হয়েছে এবং দ্রুত বর্ধনশীল বিশ্বের কাতারে নিজেদের স্থান করে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।বুধবার (১৭ মার্চ) মুজিবশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১০ দিনের অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন। বিকেল সাড়ে ৪টায় জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে শিশুদের কণ্ঠে জাতীয় সংগীতের পরিবেশনার মধ্য দিয়ে ১০ দিনের আয়োজনের সূচনা হয়।
এ সময় চীনের প্রেসিডেন্ট বলেন, ৬ শতাংশের অধিক জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) মাধ্যমে বাংলাদেশ তার দেশের মানুষের জীবনকে উন্নত করছে এবং বিশ্ব থেকে দারিদ্র্য দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। চীন বাংলাদেশের এমন উন্নয়নে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছে।তিনি আরো বলেন, চীন ও বাংলাদেশ সবসময়ই বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশি রাষ্ট্র। ঐতিহাসিক সিল্ক রোড দুই দেশের সেই সুসম্পর্কের সাক্ষী হয়ে আছে বছরের পর বছর ধরে। ভবিষ্যতেও দুই দেশের মধ্যে এমন আন্তরিক সম্পর্ক বজায় থাকবে।

মুজিবশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১০ দিনের অনুষ্ঠানমালার আনুষ্ঠানিক পর্দা উঠেছে বুধবার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহামেদ সলিহসহ আরো অনেকে। এ ছাড়া ভিডিও বার্তা পাঠিয়েছেন চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিন পিং, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগার ও কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।১০ দিনের এ অনুষ্ঠানমালা ১৭ মার্চ থেকে শুরু হয়ে ২৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল সাড়ে ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। এতে যোগ দিতে ঢাকায় আসবেন পাঁচ দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান। বুধবারের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহামেদ সলিহ।মূলত ১০ দিনের এ অনুষ্ঠান উদযাপিত হবে মুজিব চিরন্তন থিমের ওপরে। প্রতিদিন আলাদা আলাদা থিমে পরিবেশিত হবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালা। প্রথম দিনে থাকবে ভেঙেছে দুয়ার এসেছে জ্যোতির্ময় থিমে পরিবেশনা। সাংস্কৃতিক আয়োজন থাকছে ভিয়েতনাম, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের শিল্পীদের। জাঁকজমকপূর্ণ এ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পেরে নিজেদের ধন্য মনে করছেন প্রতিবেশী দেশের শিল্পীরাও।