লকডাউনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার দাবিতে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভ

4
ডেস্ক :  সাতক্ষীরায় করোনা ভাইরাস সংক্রমন রোধে ৭দিনের লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে  বিক্ষোভ করেছেন ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) দোকানপাট খোলা রাখায় দুপুর ১টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালত এসময় শহরের সুলতানপুর বড়বাজার সড়কের মেসার্স ফাল্গুনী বস্ত্রালয়ে অভিযান চালালে শতশত ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে আসে। তারা এসময় ‘লকডাউন মানি না, মানব না’ বলে স্লোগান দেয়।দুপুর ১টা ১৫মিনিটের দিকে ওই সড়ক জুড়ে বিক্ষোভ শুরু করেন লকডাউনবিরোধী ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা। দুপুর দেড়টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আসাদুজ্জামান ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের সাথে আলোচনায় মিলিত হন।বিক্ষোভের কারণে এসময় সড়কে যানজট দেখা দেয়। শ্রমিকরা এসময় সরকারের কাছে তাদের দাবি তুলে ধরে বলেন, আমরা বাঁচতে চাই, দোকানপাট খুলতে চাই, লকডাউন মানি না, মানব নাবিক্ষোভে অংশ নেওয়া  ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘গত বছর লকডাউনে আমরা অনেক লোকসান করেছি। এই লকডাউনে মার্কেট সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে।এবারও যদি দীর্ঘমেয়াদে লকডাউন দেয়া তাহলে আমরা খাব কী?দোকান ভাড়া, শ্রমিকদের বেতন এসব কীভাবে দেব?ব্যবসায়ীরা এসময় স্বাস্থ্য মেনে দোকানপাট খোলা রাখার দাবি জানিয়ে বলেন, প্রয়োজনে আমাদের একটি নির্ধারিত সময় বেঁধে দেওয়া হোক। আমরা সেই নির্ধারিত সময় পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রেখে পরিবার-পরিজন নিয়ে যেন বাঁচতে পারি।শ্রমিকরা বলেন, কোন উৎসবে আমরা বোনাস পাইনা। একদিন কাজে না আসলে বেতন পাইনা। দোকানপাট বন্ধ থাকলে আমাদের পরিবারেরর সদস্যরা কী খেয়ে বাঁচবে।মোহিনী ফ্যাশনের কর্মচারী সুজন বলেন, দোকান খোলা থাকলে কর্মচারীরা মজুরি পায়, অন্যথায় পায়না। দোকান বন্ধ থাকলে কর্মচারীরা কী খেয়ে বাঁচবে? মালিকরাও কীভাবে মজুরী দিবেন? তিনি সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত দোকান খোলার জন্য দাবি জানান।এদিকে ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সাথে আলোচনা শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আসাদুজ্জামান ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষে জেলা প্রশাসককে লিখিতভাবে বিষয়টি জানানোর কথা বলেন।