তালায় কালী মন্দিরের জমি দখল করে দোকান নির্মাণের অভিযোগ

14
তালা প্রতিনিধিঃ তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়ন এর সুজনসা বাজারের শত বছরের পুরাতন শ্রী শ্রী শ্যামা ঠাকুরানী কালী মন্দিরের জমি দখল করে চলছে দোকান নির্মাণ এর কাজ মন্দিরের সভাপতি মিনাল ভদ্র জানায় 100 বছর পুরাতন এই মন্দিরের চার একর এর বেশি জমি ভূমিদস্যুরা দখল করে রয়েছে মন্দিরের পাশে থাকা কিছু জমি ২৪/৪/২১ তারিখে বাহ উদ্দিন গাজী পিতা মৃত খালেক গাজী যিনি বাংলাদেশ জামাত ইসলাম ইসলামকাটি ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক উক্ত মন্দিরের জমি দখল করে দোকান ঘর নির্মাণের কাজ করছে মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক নবদ্দীপ সেন জানান মন্দিরের পাশে থাকা উক্ত জমির ওপর দীর্ঘদিনের একটি কবরস্থান থাকায় আমরা জমিতে কোন কার্যক্রম করিনা কিন্তু বাহাউদ্দিন নামের ভূমিদস্যু কিভাবে সেখানে ঘর নির্মাণ করে আমার বোধগম্য নয় বাহাউদ্দিন কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন জমিটি আমি কিনে নিয়েছি কিন্তু জমি সম্পর্কে জানতে গেলে দেখা যায় জমিটি দেবোত্তর সম্পত্তির নামে রেজিস্ট্রি জান বর্তমান ব্যবস্থাপক জেলা জেলা প্রশাসক সাতক্ষীরা যার খতিয়ান নাম্বার৪৯৭ পদাথ নম্বর ৬৯৩/৯৪/৯৫/৯৬/ ও ৭৪২ যার মোট জমির পরিমান ৪ এক এর বেশি কিন্তু বর্তমানে মন্দিরের দখলে এক বিঘা জমি নাই সবই ভূমিদস্যুদের দখলে সকলেই বলে জমি আমরা কিনে নিয়েছি কিন্তু আমাদের বোধগম্য নয় যে দেবোত্তর ট্রাস্টের সম্পত্তি যার ১৯২৭/১৯৬২ ও বর্তমান রেকট শ্রী শ্রী শ্যামা ঠাকুরানী ট্রাস্ট স্টেট এর নামে ও যার ব্যবস্থাপক জেলা প্রশাসক সাতক্ষীরা মালিকাধীন সেই জমি বিক্রয় হয় কিভাবে এ বিষয় নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে একটি ক্ষোভ বিরাজ করছে হিন্দুদের দেবোত্তর সম্পত্তি এভাবে কেন দখল হয়ে যাচ্ছে এলাকাবাসীর দাবি অতি দ্রুত যেন তারা তাদের মন্দিরের জমি ফেরত পায় সে বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে এ বিষয়ে ইসলামকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুভাষ চন্দ্র সেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন শ্রীশ্রী শ্যামা ঠাকুরানী মন্দিরটি শতাব্দী অনেক পুরাতন দীর্ঘদিন ধরে কিছু ভূমিদস্যুরা মন্দিরের সম্পত্তি দখল করে বসতভিটা ও বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে তুলেছে কিছু বলতে গেলে বলে আমরা কি জমি আমাদের ক্রয় কৃত সম্পত্তি কিন্তু আমার বোধগম্য নয় যে মন্দির ট্রাস্টের সম্পত্তি কিভাবে অন্যের নামে রেজিস্ট্রি হয় বা তাদের কোনো দলিল আছে কিনা এ বিষয়ে আমি অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সুভাষ চন্দ্র সেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এটি একটি দেবোত্তর সম্পত্তি যা শ্রী শ্রী শ্যামা ঠাকুরানী ট্রাস্টের নামে অর্পিত এবং যার ব্যবস্থাপক জেলা প্রশাসক সাতক্ষীরা তাহলে এই জমি কিভাবে কারোর কাছে বিক্রয় হইবে এটা আমার জানা নেই তবে আমি যতদূর জানি তাদের কারোর জমির কোন দলিল নেই সবাই জোরপূর্বক দখল করে খাচ্ছে। এ বিষয় নিয়ে মন্দির সংলগ্ন সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বললে তারা বলে এক এক করে সব জমি ভূমিদস্যুরা দখল করে নিচ্ছে কিছু বলতে গেলে বলে আমরা জমি কিনে নিয়েছি কে বা কারা বেসেছে সেটা আমরা জানি না তাই আমরা অত্র মন্দিরের সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের এটাই আমাদের দাবি।