বিকাশে প্রতারণার শিকার তালার তিন গ্রাহক

5

এসএম বাচ্চু,তালাঃ
সারাদেশ জুড়ে মোবাইল ব্যাংকিং অর্থ লেনদেনে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বিকাশ। মোবাইল ব্যাংক টাকা পাওয়ার দ্রুত অন্যতম একটি মাধ্যম, শুধু কি তাই প্রবাসীরাও এই সেবা গ্রহণ করছে প্রতিনিয়ত। কিন্তু এই মাধ্যমটির ব্যবহার প্রতিনিয়ত প্রতারণার হার বাড়ছে। এতে নতুন করে যোগ হয়েছে অ্যাপ্সের মাধ্যমে প্রতারণা। কিন্তু বিকাশে প্রতারণার ঘটনা নতুন কোন বিষয় নয়, তারপরও কিছু শ্রেণী/পেশার মানুষ অসচেতনতা/লোভে পড়ে প্রতিনিয়ত এসব প্রতারণার ফাঁদে পা রাখছেন। এসব ঘটনায় প্রতারিত হয়ে অনেক মানুষ নিঃস্ব হয়ে গেছে।

১৫/১৬ দিন আগে ঠিক এভাবেই প্রতারিত হয়েছেন, তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নের গাবতলা গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী জাহিদ। তার কয়েক দিন পরে সাঈদ নামে একজন প্রতারিত হন। ৩০ এপ্রিল শুক্রবার প্রতারিত হয়েছেন চকারকান্দা গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেন নামে আর একজন গ্রাহক।

আপনি সৌভাগ্যবান ব্যক্তি, আপনি বিকাশ লটারি পেয়েছেন, আপনার নম্বরে ৩০ হাজার টাকার মেসেজ গিয়েছে । এই টাকাটা আমাদেরকে রিটার্ন করে দেন আমাদের দেওয়া নম্বরে। দিলে আপনাকে ৭৫ হাজার টাকা আবার আমরা পাঠিয়ে দেব।

এই ধরণের ভূয়া মেসেজ ও লটারির লোভে ফেলে জাহিদের কাছ থেকে (০১৮১৩ ৮৭১০০৯ নম্বরে) সাড়ে ২২ হাজার সাঈদের কাছ থেকে সাড়ে ১৭ হাজার ও জাহাঙ্গীর এর থেকে দুই বারে (০১৭৭০৭০৭৩৩৬ ও ০১৮৩১ ৯২৮১০৯ নম্বরে) সাড়ে ৪২ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারক চক্র। জাহাঙ্গীরের চাচাতো ভাই আব্দুল বারী জানান, আমার চাচাতো ভাইয়ের টাকা নেওয়া প্রতারকের বাসা খুলনার হতে পারে । কারণ তার এক আত্বীয় খুলনা থেকে ইতিমধ্যে ১০ হাজার টাকা বিকাশ করেছিলেন। সেখান থেকে প্রতারক চক্রটি আমার চাচাতো ভাইয়ের নম্বর সংগ্রহ করে এমনটি হয়তো করেছেন। তবে এ ব্যপারে এখন পর্যন্ত কোন ভুক্ত ভূগী প্রশাসনের দারস্থ হননি বলে জানা যায়।