রিং বাঁধ ভাঙ্গনের একটি পয়েন্ট আটকানো সম্পন্ন ! অন্য ভাঙ্গন দিয়ে জোয়ার ভাটায় প্লাবিত প্রতাপনগর অঞ্চল

0

মাসুম, প্রতাপনগর,আশাশুনি,প্রতিনিধি : রিং বাঁধ ভাঙ্গনের একটি পয়েন্ট আটকানো সম্পন্ন ! অন্য ভাঙ্গন দিয়ে খোলপেটুয়া নদীর জোয়ার ভাটায় প্লাবিত বন্যতলা সহ প্রতাপনগর ইউনিয়ন।

জোয়ার ভাটায় নিমজ্জিত পানি বন্দি মানুষের দুর্ভোগ চরমে। এ যেন দেখার কেউ নেই। মাননীয় জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা উপকূলীয় বানভাসি ভুক্তভোগী অসহায় সচেতন প্রতাপনগর এলাকাবাসীর। ঘুর্নিঝড় আম্ফানের তান্ডবের পর থেকে প্রায় দশ মাস কপোতাক্ষ ও খোলপেটুয়া নদীর জোয়ার ভাটায় নিমজ্জিত ছিল প্রতাপনগর। বাঁধ নির্মাণের তিন মাস না যেতেই ২৬ মে ঘুর্নিঝড় ইয়াস-যশে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে আজও খোলপেটুয়া নদীর জোয়ার ভাটায় নিমজ্জিত পদ্মপুকুর ইউনিয়নের বন্যতলা ও প্রতাপনগর ইউনিয়ন। গতকাল সকাল থেকে সকল ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সর্ব শ্রেণী পেশার শতশত আমজনতার অংশ গ্রহণের মাধ্যমে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে আফসার সরদারের বাড়ির সামনের বিকল্প রিং ভাঙ্গন পয়েন্ট আটকানো সম্পন্ন হয়েছে।

ভাঙ্গন বাঁধ পয়েন্ট টিকে থাকার আশা বাঁধ নির্মাণ কমিটির। সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু দাউদ ঢালীর সার্বিক প্রচেষ্টায় নির্মাণ কৃত বিকল্প এই রিং বাঁধ টি ১২ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় ভেঙ্গে যায়। একই দিনে প্রতাপনগর মানিক হাওলাদারের বাড়ির সামনের রিং বাঁধ টি জুমা নামাজের সময় ভেঙ্গে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে যায়। পর দিন শনিবার প্রতাপনগর পুনঃ উদ্ধার তথা বিকল্প রিং বাঁধ নির্মাণ কমিটির কঠোর পদক্ষেপ আফসার সরদারের বাড়ির সামনের ভাঙ্গন পয়েন্ট আটকানোর ৬ ঘন্টাও টিকে থাকেনি। এদিকে দিনক্ষণ যতো যাচ্ছে বন্যতলা ভাঙ্গন পয়েন্ট বড়ো হচ্ছে।

ভাঙ্গন পয়েন্ট দিয়ে খোলপেটুয়া নদীর জোয়ার ভাটা চলমানে লোকালয়ে বড়ো বড়ো খালের সৃষ্টি হচ্ছে। ইতোমধ্যে মানিক হাওলাদারের বাড়ির সামনের রিং বাঁধ ভাঙ্গনের ফলে পনেরো বিশটি ঘরবাড়ি ভিটামাটি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। মানুষ সীমাহীন দুর্বিষহময় পরিস্থিতির মধ্যে পতিত হয়ে চরম মানবতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছে প্লাবিত এই এলাকার মানুষেরা। সুতরাং প্রতাপনগর মানিক হাওলাদারের বাড়ির সামনের রিং বাঁধ ও বন্যতলার ভাঙ্গন পয়েন্ট আটকানো সময়ের দাবি প্লাবিত মানুষের। এহেন পরিস্থিতিতে উপকূলীয় প্লাবিত প্রতাপনগর ইউনিয়নের মানুষের দুঃখ দুর্ভোগ দুর্দশা লাঘবে জরুরী ভিত্তিতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা।